আজ বৃহস্পতিবার,১৪ই শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,২৯শে জুলাই ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,সকাল ৭:৩৪

ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফযিলাত

Print This Post Print This Post

শৈলবার্তা ইসলামি ডেস্ক :
রমজানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো ইতিকাফ। এই মাসের শেষ দশকের ইতিকাফ সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। আমাদের প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি রমযানের শেষ দশকের ইতিকাফ করতেন।

আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে, ইতিকাফ শুধু রমযান মাসের সাথেই খাস, আসলে ইতিকাফ শুধু রমযানে না বরং বছরের অন্য যেকোনো সময়ও করা যায়। আবার কেউ কেউ মনে করেন রমযানে মসজিদে ইতিকাফ করতে হলে দশ দিনের নিচে ইতিকাফ, করলে ইতিকাফ হয় না, বরং না ইতিকাফের নিয়ত করে মসজিদে কয়েক মিনিট অবস্থান করলেও নফল ইতিকাফের সওয়াব পাওয়া যায়।

ইতিকাফকারীর জন্য বিশেষ কিছু নিয়ম আছে। যেমন:

মসজিদে ইতিকাফ করতে হবে, স্ত্রী-সম্ভোগ থেকে বিরত থাকতে হবে ইত্যাদি।

আল্লাহ তায়ালা বলেন:
“তোমরা মসজিদে ইতিকাফ করার সময়(তোমাদের স্ত্রীদের সাথে) মিলিত হবে না; এটিই আল্লাহর সীমা। অতএব তোমরা উহার নিকটেও যাবে না; এভাবে আল্লাহ মানবমন্ডলীর জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ বিবৃত করেন, যেন তারা সংযত হয়”(১)

এছাড়া ইতিকাফরত অবস্থায় প্রয়োজনীয় কাজ ব্যতীত মসজিদ থেকে বের হলে ইতিকাফ ভঙ্গ হয়ে যাবে। পুনরায় আবার নিয়ত নবায়ন করতে হবে।

তাই আসুন! এই লকডাউনকালীনে ঘরে না বসে থেকে অনন্ত দশটা দিন রবের সান্নিধ্যে দেওয়ার চেষ্টা করি। আর দশ দিন না পারলে যে কয়দিন সম্ভব হয় সেই কয়েকদিন সময় দিই।

রমযানের শেষ দশকের ইতিকাফের সবচেয়ে বড় ফায়দা হলো লাইলাতুল ক্বদর পাবার সম্ভাবনা থাকে। আর লাইলাতুল ক্বদর তো রবের মহামান্বিত এক রাত।

আল্লাহ তায়ালা বলেন:

“আর মহামান্বিত রজনী সম্বন্ধে তুমি জানো কি?
ক্বদরের রাত হাজার রাতের চেয়েও উত্তম”(২)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের ইতিকাফের নিয়ম-কানুন মেনে ইতিকাফ আদায় করার তৌফিক দিন।(আমীন)

ফুটনোট

(১) সূরা বাকারা,আয়াত ১৮৭
(২) সূরা ক্বদর ২-৩

লেখক : মুহা: আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঝিনাইদহ।

এ জাতীয় আরো সংবাদ