আজ শুক্রবার,৩রা বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,১৬ই এপ্রিল ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,সন্ধ্যা ৭:৩০

রাগের ক্ষতি

Print This Post Print This Post

ইসলামী ডেস্ক :
রাগ একটা ছোট শব্দ। শব্দটা ছোট হলে কি হবে?
এই রাগের কারণে হাজারো সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে।
ভাইয়ের সাথে ভাইয়ের সম্পর্কে নষ্ট হয়, পিতা-মাতার সাথে সন্তানের সম্পর্ক, হাজারো দম্পতির ডিভোর্স হয় শুধুমাত্র এই রাগের কারণে।

কুরআন-হাদিসে অসংখ্য জায়গায় রাগ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। রাগকে সংবরন করতে বলা হয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনুল কারীমে বলেন:
“যারা সচ্ছল হোক কিংবা অসচ্ছল- সর্বাবস্থায় (আল্লাহর পথে) নিজেদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে, যারা নিজদের ক্রোধ সংবরন করে এবং যারা মানুষের ক্ষমা করে দেয়; আল্লাহ তায়ালা উত্তম মানুষদের ভালোবাসেন”(১)

আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,মানুষ যত সংবরন করে; তার কোনোটাই সওয়াবের দিক থেকে সেই ক্রোধ সংবরন থেকে বড় নয়,যা বান্দা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে করে থাকে।(২)

হাদিসে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে প্রকৃত বীর বলা হয়েছে।

আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কুস্তিতে জয়ী হলেই বীর হয় না। বীর হলো সে-ই যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে।(৩)

তাই আসুন!
আমরা আমাদের রাগকে সংবরন করি। মনে রাখতে হবে যে,আমরা রাগের সময় কোনো কিছু করে ফেলার পর পরবর্তীতে অনেক অনুতপ্ত হতে হয়। আবার অনেকে সামান্য রাগের কারণে এমন কিছু ভুল সিধান্ত নিয়ে ফেলেন যার মাশুল দেওয়া অসম্ভবপর হয়ে দাঁড়ায়।

ফুটনোট

(১) সূরা আলে ইমরান,আয়াত ১৩৪
(২) মুসনাদে আহমাদ:২/১২৩,সুনানে ইবনে মাজাহ ২/১৪০১
(৩) সহীহ বুখারী ১০/৫১৮,সহীহ মুসলিম ৪/২০১৪

লেখক : মুহা: আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঝিনাইদহ।

এ জাতীয় আরো সংবাদ